১৮+সতর্কতা
#এই পোষ্টটা প্রত্যেক ব্যাক্তির বিশেষ করে মেয়েদের জন্য পড়া ফরজ ।
• মেয়েরা কিছু লাইক-কমেন্ট আর একটু ইনজয়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের ছবি আপলোড করে দেয় কিন্ত তাদের ধারনাও নেই সেই স্বাভাবিক ছবিটাই টেলিগ্রাম গ্রুপের ‘প্রোডাক্ট’?
আপনাদের অজান্তেই আপনাদের নামে এমন সব ভিডিও ইন্টারনেটে ঘুরছে যা আপনি স্বপ্নেও ভাবেননি?
আমি দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে টেলিগ্রামের এক 'ডার্ক সোসাইটি'র উপর এনালাইসিস করছি, যার ভয়াবহতা কল্পনাকেও হার মানাবে ।
বিষয়গুলো একটু জটিল তাই সহজে বুঝতে দুইটা ঘটনা দিয়ে সেই সাম্রাজ্যের আলোচনা করা যাক ।
• মাইশা ও রাইসা নামে দুটি মেয়ে ঈদের দিন খুবই স্বাভাবিকভাবে - ঈদ মোবারক - লিখে নিজের ছবি ফেইসবুকে আপলোড করেছে, স্বাভাবিকভাবে ঈদের সময় তারা ফ্যামিলির সাথে আনন্দ উল্লাসে মত্ত সুন্দর সময় উপভোগ করছিলো ।
ঘটনা-১ এর কয়েকদিন পর এক বন্ধুর ফোনে মাইশার ঘুম ভাঙে,ওপাশ থেকে বন্ধুটি চিৎকার করে বলে, "তোর ন্যুড ভিডিও পুরো দেশে ভাইরাল! ছিঃ মাইশা, তোর থেকে এটা আশা করিনি।" সে তো আকাশ থেকে পড়ে,ভিডিও দেখে পাথরের মতো জমে যায়,চেহারা হুবহু ওর, কিন্তু শরীর অন্য কারো(!)
ও কখনো রিলেশন করেনি, কারো সাথে ঘনিষ্ঠ হয়নি, তাহলে এটা কীভাবে সম্ভব ? ভিডিওটা হুবাহুর তার ক্লোন এটা যে সে না কাউকে কীভাবে বিশ্বাস করাবে ?
অতঃপর পরিবার আর সমাজের লাঞ্ছনা সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মেয়েটা ।
ঘটনা ২) এদিকে কিছুদিন পর রাইসার কাছে একটি ফোন আসে - ফোন ধরতেই ওপার থেকে একটি কন্ঠ বলে - তোমার অসংখ্য নুড ভিডিও আছে আমাদের কাছে স্যাম্পল হিসেবে কিছু পাঠিয়েছি ফোন চেক করো - ফোন চেক করে রাইসা চিৎকার করে উঠে এগুলো কী এগুলো আমি করিনি - কন্ঠটা হেসে বলে উঠলো তুমি কি চাও এগুলো ভাইরাল হোক ? তোমার ফ্যামিলি-কাজিনরা দেখুক ? রাইসা কান্না করে বললো - প্লীজ এমন করবেন না আপনার পায়ে পড়ি এমন করবেন না - কন্ঠটা বললো - তাহলে আমরা যা বলবো চুপচাপ তাই শুনবা তাই করবা,এভাবেই শুরু হয় রাইসার নারকীয় ব্ল্যাকমেইল জীবন।
এখানে এই দুইটা মেয়ের সাথে ঘটা ঘটনার যোগসূত্র হলো -ফটো আপলোড- পরবর্তীতে যা হয়েছে তা একটি সম্রাজ্য থেকেই পরিচালিত হয় যা টেলিগ্রামের ডার্ক সোসাইটি নামে পরিচিত ।
তো চলেন সেই সম্রাজ্য ও তাদের সম্পর্কে আমার এনালাইসিস তুলে ধরি ।
-আমি দির্ঘদীন ধরে কিছু আইডির উপর এনালাইসিস করতে করতে এক ভয়াবহ নেটওয়ার্কের ভিতর ঢুকে যাই এবং যা জানি তা হিমশীতল করে দেওয়ার মতো ।
টেলিগ্রামে বিশাল এক ডার্ক সোসাইটি গড়ে উঠেছে যেখানে প্রতিনিয়ত মেয়েদের ফটো - ভিডিও কেনা-বেচা হয় এবং সেগুলো ক্রয় করে আমার আপনার আশেপাশে মুখুশধারী ভদ্রঘরের ভদ্র ব্যাক্তিরা,এরা সেই ফটো ভিডিও দিয়ে টার্গেটকৃত মেয়েদের ব্লাকমেইল করে ।
• একটু বিস্তারিত বলছি
এই জগতে দুই ধরনের কাজ হয়
১)ইনজয় করার জন্য -
এক্ষেত্রে প্রথমত এখানকার এডমিনরা বিভিন্ন সোস্যাল প্লাটফর্মে আপলোড করা মেয়েদের পিক কালেক্ট করে সেগুলো এআই দিয়ে প/র্ণ ভিডিও হিসেবে তৈরি করায় ,আমি রিসার্চ করে এমন ১০০টিরও বেশি এআই (AI) টুল পেয়েছি যেগুলো ক্রিয়েটই করা হয়েছে,ছবি থেকে নিখুঁত পর্ন ভিডিও তৈরি করার জন্য ।
এই নেটওয়ার্কের অ্যাডমিনরা চড়া দামে এসব এআই-এর পেইড সাবস্ক্রিপশন কিনে সেগুলো দিয়ে ভিডিও ক্রিয়েট করে কাস্টমারের কাছে সেল করে ।
এই ভিডিওগুলো এতটাই নিখুঁত যে কোনো প্রফেশনাল লোক ছাড়া কারো ধরার ক্ষমতা নেই যে এগুলো রিয়েল না ফেইক,তারা আপনার ফেসবুকের একটা ছবি নিয়ে এআই-এর মাধ্যমে আপনার বডি মুভমেন্ট, গলার স্বর আর চোখের পলক পর্যন্ত পাল্টে দিতে পারছে ।
২) টার্গেট - এইতো গেলো ইনজয়ের দিকটা ।
এই হোসাইনিয়া আরেকটি সার্ভিস আছে যা ব্ল্যাকমেইলের জন্য কাজ করে অর্থাৎ ব্যক্তি ঐখানে তার ভিক্টিমের পিক আপলোড করে টাকা পে করলে এডমিনরা ঐ পিক দিয়ে পর্ণ ভিডিও ক্রিয়েট করে কাস্টমারকে সাপ্লাই করে,এরপর ঐ পার্সন এই ভিডিও দিয়ে তার টার্গেটকৃত ভিক্টিমকে ব্লাকমেইল করে ।
আবার অনেক সময় এরা এডমিনদের টাকা পে করে এই ভিডিওগুলো পুরো দেশে ভাইরাল করার জন্য,তখন সোসাইটি তাদের সকল পেইজ ও সাইট থেকে এই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে দেশজুড়ে ভাইরাল করে দেয়,ঠিক এমনটাই হয়েছিলো ২জন টিকটিকার মেয়ের সাথে ।
এই কাজগুলো বেশি করে পরিচিতরাই অর্থাৎ - একটা ছেলে একটা মেয়েকে পছন্দ করে কিন্তু মেয়েটা ওরে রিজেক্ট করে দিলো আথবা মেয়েটার সাথে কোনো ঝামেলা হলো ও কি করে মেয়েটার কয়টা ফটো নিয়ে এই গ্রুপে আপলোড করে দিয়ে টাকা পে করে ব্যস খেল খতম ।
মেয়ে ভাইরাল মানসম্মান শেষ জীবনটাই বরবাদ ।
• তো - গ্রুপে পেইড এআই দিয়ে মেয়েদের ভিডিও তো তৈরি করা হলো এখন এগুলো বিক্রির জন্য তো কাস্টমার লাগবে তাই না ? এখানেই আসে বিশাল এক নেটওয়ার্ক যারা কাস্টমার আনার কাজ করে ।
কাস্টমার আনার জন্য এই নেটওয়ার্ক অনেকভাবে কাজ করে আমি ২টা পদ্ধতি বলতেছি ।
১) মিম পেইজ - বর্তমান সময়ে সবথেকে জনপ্রিয় ভিডিও হচ্ছে মিমস, মানুষ মিম ভিডিও খুবই পছন্দ করে,এতে অল্পতেই ডোপামিন রিলিজ হয় তো ওরা এটাকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ।
মেয়েদের পিকের সাথে ভিডিওর ১/২ সেকেন্ডের ক্লিপ ব্লার করে মিমস আকারে পোস্ট করে ক্যাপশন দেয় - ফুল ভিডিও পেতে টেলিগ্রামে প্রিমিয়াম এক্সেস নিন -
এই নেটওয়ার্কের এমন শতোশতো মিমস পেইজ আছে যা ১/২/৩ লাখ পর্যন্ত ফলোয়ার যার প্রতিটা ভিডিওতে মিলিয়ন ভিউস হয় ।
উদাহরণ স্বরূপ যদি একটা পেইজের জাস্ট একটা ভিডিও থেকে ১০০ কাস্টমার আসে তাহলে টাকার পরিমাণ কতো হতে পারে ভাবতে পারছেন ?
এমন প্রতিটা পেইজের প্রতিটা ভিডিও থেকে ১০০+ কাস্টমার তারা পায় এবং সেই কাস্টমার আপনার আমার আশেপাশে ভদ্র চেহারার ঘুরে বেড়ানো মানুষরাই বেশি ।
২) এই নেটওয়ার্কের প্রতিটা পার্সনের একাধিক ফেইক আইডি থাকে ওরা এগুলো দিয়ে বিভিন্ন বড় বড় অশ্লীল গ্রুপগুলোতে টেলিগ্রামে আশার আমন্ত্রণ জানায় এবং বিভিন্ন অশ্লীল কন্টেন্টের কমেন্টে লিংক শেয়ার করে দেয় ।
এখানে লক্ষ্য রাখার মতো বিষয় হলো - নেটওয়ার্কের আমন্ত্রণ জানানো এই পার্সনগুলো এই কাজ -পার্টটাইম জব- হিসেবে করে মানে চাকড়ি করে ।
আমাদের আশেপাশের অনেকেই যারা অনলাইনে ১/২/৩ ঘন্টা কাজ করে বেশ মোটা অংকের টাকা ইনকাম করে তাদের অধিকাংশ এই নেটওয়ার্কের এজেন্ট হয়ে এই কাজে যুক্ত ।
সহজ কাজ, যেকোনো ফোন দিয়েই হবে,কোনো স্কিল লাগে না,কষ্ট কম টাকা বেশি কে না করে ?
জিজ্ঞেস করলে বলবে - অনলাইন জব করি ।
এখন বিভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে আসা কাস্টমার টেলিগ্রামে আসার পর টেলিগ্রামে বিক্রির জন্য দুইটা গ্রুপ থাকে ১) পাবলিক গ্রুপ
২) প্রিমিয়াম গ্রুপ
- পাবলিক গ্রুপে সেই রিয়েল ফটোগুলো আপলোড করে ইন্ট্রু দেওয়া হয় এভাবে - এই মেয়ের হট ভিডিও প্রিমিয়াম গ্রুপে এভেলাভেইল আজকের জন্য ৫০০ টাকা - তখন আগ্রহীরা এই ভিডিও দেখার জন্য টাকা পেমেন্ট করে প্রিমিয়াম গ্রুপের এক্সেস নিয়ে নেয় ।
এআইর বিষয়টা তো বুঝলেন এখন আসি এরা এতো পরিমাণে রিয়েল ফটো - হট ভিডিও পায় কোথায় ?
উপরে এই সোসাইটির বিশাল নেটওয়ার্কের একটা শাখার কথা বলেছি এদের আরো একটি শাখা আছে যারা পুরো দেশে থেকে রিয়েল নুড ভিডিও কালেক্ট করার কাজ করে ।
ভাবছেন কীভাবে ?
বলতেছি - ধরুন গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ডের ব্রেকাপ হলো বা স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝামেলা হয়ে ডিভোর্স হলো তো স্বাভাবিকভাবেই তাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের ফটো ভিডিও থাকে, এই নেটওয়ার্ক এমন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষজন খুঁজে বের করে তাদের সাথে কন্টাক্ট করে তাদেরকে বুঝায় - আপনার প্রাক্তন আপনার সাথে খুব খারাপ করছে ওর প্রতিশোধ নিন ওরে শায়েস্তা করুন (!) কীভাবে শায়েস্তা করবে ?
আমাদের কাছে তার হট পিক - ভিডিও বিক্রি করে দিন আপনি টাকাও পেলেন আবার মোক্ষম জবাব দেওয়া হলো এভাবেই এই নেটওয়ার্ক মাইন্ড গেইম খেলে রিয়েল ভিডিও কালেক্ট করে ।
আবার অনেক সময় উক্ত বয়ফ্রেন্ড বা স্বামী নিজেই এদের সাথে কন্টাক্ট করে এগুলো বেশ ভালো দামে বিক্রি করে ।
অধিকাংশই এই কাজ করে জিএফ বা প্রাক্তন স্বীর উপর প্রতিশোধ নিতে ।
এখানে খুবই ভাবনার বিষয় হলো - ওদের নেটওয়ার্কিং।এটা এতোটাই বিস্তৃত যে ওরা সবসময় নজর রাখে - কাদের বিচ্ছেদ হয়েছে এবং তাদের মধ্যে বিকৃত মস্তিষ্কের কে কে আছে কারণ, মস্তিষ্ক বিকৃত না হলে কোনো ব্যাক্তিই প্রাক্তনের ফটো ভিডিও সেল করতে পারে না সে যাই করুক না কেন ।
• এখন আসি এই জগতের আরেকটি ডার্ক সাইট নিয়ে।
এই জগটে সবথেকে চাহিদাপূর্ণ প্রোডাক্ট হলো-বাচ্চাদের ভিডিও ।
বাচ্চাদের ভিডিওর গ্রুপগুলোতে সবসময় উপচেপড়া ভিড়, এর কাস্টমারও সবথেকে বেশি, অনেকেই এক্সটা টাকা পে করে বাচ্চাদের স্পেশাল ভিডিও তাকে সেল করার জন্য ।
এখানে খুবই স্পর্শকাতর বিষয় হচ্ছে - বাচ্চাদের ভিডিওর কাস্টমার অধিকাংশই বয়স্ক হয় ।
আপনার কি মনে হয় এপেস্টেইন শুধু আমেরিকাতেই আছে ? না ভাই না এমন শতোশতো এপেস্টেইন প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে ভদ্রতার মুখোশে ঘুরে বেড়ায়, আমি কয়েকমাস আগে বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ নিয়ে একটি রিসার্চ করেছি সেখানে বলেছিলাম বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ প্রতি বছর যেভাবে ঝড়ের বেগে বাড়ছে এর অন্যতম কারণ এইসব -শিশু পর্নোগ্রাফি গ্রুপ -
একটু চিন্তা করুন যে লোকটা টাকা দিয়ে বাচ্চাদের নুড ভিডিও তৈরী করিয়ে - কিনে দেখে ওর মস্তিষ্কের অবস্থা কী ?
ওর চিন্তা কতোটা বিকৃত হতে পারে?
এই লোক সুযোগ পাচ্ছে না দেখে এখন টাকা দিয়ে ভিডিও দেখছে সুযোগ পেলেই তো ধর্ষণে মেতে উঠবে
এইজন্য সেই পোষ্টে আমি বলছিলাম - এন্ড্রোয়েড ফোন ইউজ করা মুরব্বিদের কাছে কখনোই আপনার বাচ্চা রেখে যাবেন না সে যেই হোক ।
পোষ্ট লিঙ্ক - https://www.facebook.com/share/p/1B7sT9bYyb/
•এখন আসি হ্যাকিং বিষয়ে -
এই সকল সাইটের আরেকটি দিক হচ্ছে - ইনফরমেশন গ্যাদারিং - একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী জিনিস কিন্তু টাকা নয় ইনফরমেশন - আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো শুধুমাত্র খায়েশের তাড়নায় এই সকল গ্রুপে এড হন কিন্তু জাস্ট খায়েশের তাড়নায় নিজের ইনফরমেশন এদের হাতে কীভাবে তুলে দিচ্ছেন তা আপনার ধারণাও নেই ।
বিভিন্ন পোষ্টে যে টেলিগ্রাম লিংক থাকে যেখানে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় অনেক সময় এগুলোতে ম্যালওয়্যার থাকে আপনি ক্লিক করে টেলিগ্রামে জয়েন হবেন কিন্তু এতেই আপনার সকল ইনফরমেশন থেকে শুরু করে লোকেশন পর্যন্ত এডমিনদের হাতে চলে যাবে এটা খুবই সিম্পল হ্যাক ।
• তাই নিজেও সাবধান এবং নিজের ফ্যামিলিকে সাবধান করুন,বাসার মুরব্বিদের ফোন চেক করুন ।
• এই পোষ্টটা বিশেষ করে মেয়েদের জন্য আপারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ফটো আপলোড করা থেকে বিরত থাকুন, কিছু হয়ে গেলে এরপর কিন্তু আর কোনো কিছু করা সম্ভব হবে না ।
আপনি কয়জনরে বুঝাবেন এটা এআই?
বুঝাইলেও বা লাভ কি হবে !
মান সম্মান যা যাওয়ার তা তো চলেই যাবে আপনি আর কখনোই স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবেন না ।
আমার কাজ একজন পার্সন হিসেবে সাবধান করা বাকি আপনাদের ইচ্ছা ।
ইনশাআল্লাহ পরবর্তী পোষ্টে এই সোসাইটির একজন এডমিনকে এক্সপোজ করা হবে, নাম্বার আইডি এবং ছবি সহো পোস্ট করবো ।
© Abdur Rahim Ammar
Apr 24, 2026, 8:52 pm · 225 Views · Public
Leave a Comment
Login to leave a comment.